আইসিটি ও টেলিকম খাতের জন্য মোট বরাদ্দ ৫ হাজার ২৯২ কোটি ৭৮ লাখ টাকা সংসদে পাশ
সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট পাস হয়েছে। রোববার (৩০ জুন) স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে এ বাজেট কণ্ঠভোটে পাস হয়, যা কার্যকর হবে আগামী ১ জুলাই থেকে। এর আগে রাষ্ট্রপতির সম্মতিসাপেক্ষে নির্দিষ্টকরণ আইন গেজেট আকারে প্রকাশিত হবে।
শনিবার বিকেলে সংসদে অর্থ বিল উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এবং পরে সেটি সংসদে পাস হয়। আজ বাজেট পাসের প্রক্রিয়ায় মন্ত্রীরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ব্যয় নির্বাহের যৌক্তিকতা তুলে ধরে মোট ৫৯টি মঞ্জুরি দাবি সংসদে উত্থাপন করেন।
এর মধ্যে প্রথমে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের জন্য পরিচালনা ও উন্নয়ন খাতে ২০২৫ সালের ৩০ জুন সমাপ্য অর্থ বছরে ব্যায়ের জন্য এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের জন্য ২ হাজার ৮ ৭২ কোটি ২৮ লাখ টাকা এবং ২ হাজার ৪২০ কোটি ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দিতে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করেন প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। দাবিটি সংসদে কণ্ঠভোটে অনুমোদিত হয়। অর্থাৎ দুই বিভাগ মিলিয়ে মোট ৫ হাজার ২৯২ কোটি ৭৮ লাখ টাকা বরাদ্দ পেলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
এর আগে মঞ্জুরি দাবির যৌক্তিকতা নিয়ে বিরোধীদলের ছয়জন সংসদ সদস্য মোট ২৫১টি ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এর মধ্যে আইন ও বিচার বিভাগ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় খাতে তিনটি মঞ্জুরি দাবিতে আনীত ছাঁটাই প্রস্তাবের ওপর স্বতন্ত্র ও বিরোধী দলের সদস্যরা আলোচনা করেন। পরে কণ্ঠভোটে ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো নাকচ হয়ে যায়।
বাজেট ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা হলেও নির্দিষ্টকরণ আইনে সংশ্লেষ অর্থের পরিমাণ ১২ লাখ ৪১ হাজার ৭৫২ কোটি ৩২ লাখ ৯ হাজার টাকা। এর মধ্যে সংসদ কর্তৃক ভোটে গৃহীত অর্থের পরিমাণ ৭ লাখ ৯ হাজার ২৭৮ কোটি ৮৭ লাখ ৮৮ হাজার টাকা এবং সংযুক্ত তহবিলের ওপর দায় ৫ লাখ ৩২ হাজার ৪৭৩ কোটি ৪৪ লাখ ২১ হাজার টাকা।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে টানা চতুর্থ মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগ সরকারের প্রথম বাজেট এটা। এ বাজেট অর্থমন্ত্রী হিসেবে মাহমুদ আলীর জন্যও প্রথম।







